হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সকলেই খুব ভালো আছেন। আপনারা অনেকেই নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার সম্পর্কে বলবো। তো চলুন শুরু করা যাক।
নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার
নবজাতকের নাভি শুকানোর জন্য পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাউডার নাভির চারপাশে থাকা তরল শুষে নিতে সাহায্য করে এবং নাভির চারপাশের ত্বককে শুষ্ক রাখে। এতে নাভিতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডারগুলো সাধারণত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদানযুক্ত হয়। এছাড়াও, এগুলো হালকা ও নরম হয় যাতে নাভির চারপাশের ত্বককে জ্বালা না করে।
নবজাতকের নাভিতে পাউডার ব্যবহারের নিয়ম:
১. শিশুকে একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছে নিন।
২. নাভির চারপাশের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য একটি তুলোর বল দিয়ে ক্লোরহেক্সিডিন বা অন্য কোনো অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণ লাগান।
৩. নাভির চারপাশের ত্বক শুকিয়ে গেলে, একটি সামান্য পরিমাণ পাউডার নাভির চারপাশে লাগান।
৪. পাউডার লাগানোর পর, শিশুকে একটি ডায়াপার পরান।
নবজাতকের নাভিতে পাউডার ব্যবহারের সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন:
- পাউডারটি অবশ্যই শিশুদের জন্য উপযুক্ত হতে হবে।
- পাউডারটি অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না।
- পাউডারটি নাভির ভেতরে প্রবেশ করাবেন না।
নবজাতকের নাভি শুকিয়ে ঝরে পড়ার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন একবার পাউডার ব্যবহার করা উচিত। নাভি ঝরে পড়ার পর আর পাউডার ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার ব্যবহারের নিয়ম জেনে নিন।
বাংলাদেশে নবজাতকের নাভি শুকানোর জন্য যেসব পাউডার পাওয়া যায় তার মধ্যে রয়েছে:
- বেবি ড্রাই
- বেবি পাউডার
- ন্যাচারাল বেবি পাউডার
- অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বেবি পাউডার
নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা
নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের কিছু উপকারিতা রয়েছে। তেল নাভির চারপাশের ত্বককে নরম রাখতে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, তেল নাভির চারপাশের ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে এবং চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের নিয়ম:
১. শিশুকে একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছে নিন।
২. নাভির চারপাশের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য একটি তুলোর বল দিয়ে ক্লোরহেক্সিডিন বা অন্য কোনো অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণ লাগান।
৩. নাভির চারপাশের ত্বক শুকিয়ে গেলে, একটি সামান্য পরিমাণ তেল নাভির চারপাশে লাগান।
৪. তেল লাগানোর পর, শিশুকে একটি ডায়াপার পরান।
নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন:
- তেলটি অবশ্যই শিশুদের জন্য উপযুক্ত হতে হবে।
- তেলটি অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না।
- তেলটি নাভির ভেতরে প্রবেশ করাবেন না।
নবজাতকের নাভি শুকিয়ে ঝরে পড়ার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন একবার তেল ব্যবহার করা উচিত। নাভি ঝরে পড়ার পর আর তেল ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার এবং তেল দুটোই ব্যবহার করতে পারেন।
বাংলাদেশে নবজাতকের নাভিতে ব্যবহারের জন্য যেসব তেল পাওয়া যায় তার মধ্যে রয়েছে:
- জলপাই তেল
- নারকেল তেল
- অলিভ অয়েল
এই তেলগুলো ফার্মেসিতে বা অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়।
নবজাতকের নাভিতে ইনফেকশন হলে করণীয়
নবজাতকের নাভিতে ইনফেকশন হলে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে:
- নাভি লালচে বা ফুলে যাওয়া
- নাভি থেকে পুঁজ বা রক্ত বের হওয়া
- নাভির চারপাশে ব্যথা বা চুলকানি
- নাভির চারপাশের ত্বক গরম হয়ে যাওয়া
নবজাতকের নাভিতে ইনফেকশন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কারণ, নাভির ইনফেকশন গুরুতর হতে পারে এবং শিশুর জীবনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার দেখে নিন।
নবজাতকের নাভিতে ইনফেকশন হলে করণীয়:
-
শিশুকে একজন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। ডাক্তার শিশুর নাভি পরীক্ষা করে ইনফেকশনের ধরন এবং তীব্রতা নির্ধারণ করবেন। এরপর তিনি উপযুক্ত চিকিৎসা দেবেন।
-
ইনফেকশনের তীব্রতা কমাতে নাভি পরিষ্কার রাখুন। প্রতিদিন একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে নাভি পরিষ্কার করুন। নাভির চারপাশের ত্বক ক্লোরহেক্সিডিন বা অন্য কোনো অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণ দিয়ে পরিষ্কার করুন।
-
নাভিতে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা মলম লাগান। ডাক্তার যদি নির্দেশ দেন, তাহলে নাভিতে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা মলম লাগান।
-
শিশুর ডায়াপার পরিবর্তন করুন যতটা সম্ভব ঘন ঘন। ডায়াপার ভেজা বা নোংরা হলে তা দ্রুত পরিবর্তন করুন।
-
শিশুকে স্তন বা বোতল থেকে খাওয়ানোর পর নাভি পরিষ্কার করুন।
নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত
নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- নাভির ইনফেকশন: নাভির ইনফেকশনের কারণে নাভি থেকে রক্ত বের হতে পারে। নাভির ইনফেকশনের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নাভি লালচে বা ফুলে যাওয়া, নাভি থেকে পুঁজ বা রক্ত বের হওয়া, নাভির চারপাশে ব্যথা বা চুলকানি, নাভির চারপাশের ত্বক গরম হয়ে যাওয়া।
- নাভির ছিদ্র থেকে রক্তপাত: নাভির ছিদ্র থেকে রক্তপাতও নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হওয়ার একটি সাধারণ কারণ। নাভির ছিদ্র সাধারণত 7 থেকে 10 দিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে ছিদ্র বন্ধ হতে দেরি হতে পারে। এতে নাভির ছিদ্র থেকে রক্তপাত হতে পারে।
- নাভির চারপাশের ত্বকের ক্ষত: নাভির চারপাশের ত্বকের ক্ষতও নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হওয়ার কারণ হতে পারে। নাভির চারপাশের ত্বক খুবই পাতলা এবং সংবেদনশীল। তাই এটি সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক থেকে রক্তপাত হতে পারে।
- নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়া: নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়ার কারণেও নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ডায়াপারের বাঁধন খুব শক্ত হলে নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়তে পারে। এতে নাভির ছিদ্র থেকে রক্তপাত হতে পারে।
বাচ্চাদের নাভিতে ইনফেকশন
বাচ্চাদের নাভিতে ইনফেকশন একটি সাধারণ সমস্যা। এটি সাধারণত নাভির ছিদ্রের চারপাশের ত্বকের সংক্রমণ থেকে শুরু হয়। নাভির ছিদ্রের চারপাশের ত্বক খুবই পাতলা এবং সংবেদনশীল। তাই এটি সহজেই সংক্রমিত হতে পারে। বাচ্চাদের নাভিতে ইনফেকশন হলে নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার ব্যবহার করুন।
বাচ্চাদের নাভিতে ইনফেকশনের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- নাভি লালচে বা ফুলে যাওয়া
- নাভি থেকে পুঁজ বা রক্ত বের হওয়া
- নাভির চারপাশে ব্যথা বা চুলকানি
- নাভির চারপাশের ত্বক গরম হয়ে যাওয়া
বাচ্চাদের নাভিতে ইনফেকশন হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। কারণ, ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং গুরুতর হতে পারে।
বাচ্চাদের নাভিতে ইনফেকশনের চিকিৎসার জন্য সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা মলম নাভিতে লাগানো যেতে পারে। কখনও কখনও ইনফেকশন গুরুতর হলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হতে পারে।
নবজাতকের নাভি ফুলে যাওয়া
নবজাতকের নাভি ফুলে যাওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- নাভির ইনফেকশন: নাভির ইনফেকশনের কারণে নাভি ফুলে যেতে পারে। নাভির ইনফেকশনের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নাভি লালচে বা ফুলে যাওয়া, নাভি থেকে পুঁজ বা রক্ত বের হওয়া, নাভির চারপাশে ব্যথা বা চুলকানি, নাভির চারপাশের ত্বক গরম হয়ে যাওয়া।
- নাভির ছিদ্রের চারপাশের ত্বকের ক্ষত: নাভির ছিদ্রের চারপাশের ত্বকের ক্ষতও নবজাতকের নাভি ফুলে যাওয়ার কারণ হতে পারে। নাভির চারপাশের ত্বক খুবই পাতলা এবং সংবেদনশীল। তাই এটি সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক ফুলে যেতে পারে।
- নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়া: নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়ার কারণেও নবজাতকের নাভি ফুলে যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ডায়াপারের বাঁধন খুব শক্ত হলে নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়তে পারে। এতে নাভি ফুলে যেতে পারে।
- নাভির চারপাশের ত্বকের অ্যালার্জি: নাভির চারপাশের ত্বকের অ্যালার্জিও নবজাতকের নাভি ফুলে যাওয়ার কারণ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি শিশুকে ডায়াপারের তরল পদার্থ বা নাভির পরিষ্কারক পদার্থের প্রতি অ্যালার্জি হয়, তাহলে নাভি ফুলে যেতে পারে।
নবজাতকের নাভি ফুলে গেলে প্রথমে নিশ্চিত হওয়া দরকার যে এটি কোনও গুরুতর সমস্যার লক্ষণ কিনা। যদি নাভি ফুলে যাওয়ার পাশাপাশি অন্য কোনো লক্ষণও দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শিশুর নাভি শুকানোর পাউডারের নাম
নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার এর নাম। বাংলাদেশে শিশুর নাভি শুকানোর জন্য যেসব পাউডার পাওয়া যায় তার মধ্যে রয়েছে:
- বেবি ড্রাই
- বেবি পাউডার
- ন্যাচারাল বেবি পাউডার
- অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বেবি পাউডার
নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডারগুলো সাধারণত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদানযুক্ত হয়। এছাড়াও, এগুলো হালকা ও নরম হয় যাতে নাভির চারপাশের ত্বককে জ্বালা না করে। নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
বাচ্চার নাভি শুকানোর সহজ উপায়
১. নাভি পরিষ্কার রাখা: প্রতিদিন শিশুকে গোসল করানোর সময় বাচ্চার নাভি পরিষ্কার করুন। একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে নাভির চারপাশের ত্বক মুছে নিন। নাভির চারপাশের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য একটি তুলোর বল দিয়ে ক্লোরহেক্সিডিন বা অন্য কোনো অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণ লাগান।
২. নাভি শুষ্ক রাখা: নাভির চারপাশের ত্বক শুষ্ক রাখতে সাহায্য করার জন্য প্রতিদিন একবার পাউডার বা তেল লাগান। পাউডার বা তেল লাগানোর পর, শিশুকে একটি ডায়াপার পরান।
৩. ডায়াপার পরিবর্তন করা: ডায়াপার ভেজা বা নোংরা হলে দ্রুত পরিবর্তন করুন। ডায়াপার ভেজা বা নোংরা থাকলে নাভির চারপাশের ত্বক আর্দ্র হয়ে যেতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
৪. নাভিতে চাপ লাগানো এড়িয়ে চলুন: নাভিতে চাপ লাগানোর ফলে নাভির চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। শিশুকে গোসল করানোর সময় বা ডায়াপার পরিবর্তন করার সময় নাভিতে চাপ লাগানোর থেকে বিরত থাকুন।
নবজাতকের নাভি শুকিয়ে ঝরে পড়ার জন্য সাধারণত 7 থেকে 10 দিন সময় লাগে। নাভি ঝরে পড়ার পর আর নাভি পরিষ্কার করার বা পাউডার বা তেল লাগানোর প্রয়োজন নেই। এরপর নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।
বাচ্চার নাভি থেকে রক্ত বের হওয়ার কারণ
নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- নাভির ইনফেকশন: নাভির ইনফেকশনের কারণে নাভি থেকে রক্ত বের হতে পারে। নাভির ইনফেকশনের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নাভি লালচে বা ফুলে যাওয়া, নাভি থেকে পুঁজ বা রক্ত বের হওয়া, নাভির চারপাশে ব্যথা বা চুলকানি, নাভির চারপাশের ত্বক গরম হয়ে যাওয়া।
- নাভির ছিদ্র থেকে রক্তপাত: নাভির ছিদ্র থেকে রক্তপাতও নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হওয়ার একটি সাধারণ কারণ। নাভির ছিদ্র সাধারণত 7 থেকে 10 দিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে ছিদ্র বন্ধ হতে দেরি হতে পারে। এতে নাভির ছিদ্র থেকে রক্তপাত হতে পারে।
- নাভির চারপাশের ত্বকের ক্ষত: নাভির চারপাশের ত্বকের ক্ষতও নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হওয়ার কারণ হতে পারে। নাভির চারপাশের ত্বক খুবই পাতলা এবং সংবেদনশীল। তাই এটি সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক থেকে রক্তপাত হতে পারে।
- নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়া: নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়ার কারণেও নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ডায়াপারের বাঁধন খুব শক্ত হলে নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়তে পারে। এতে নাভির ছিদ্র থেকে রক্তপাত হতে পারে।
নবজাতকের নাভি থেকে রক্ত বের হলে প্রথমে নিশ্চিত হওয়া দরকার যে এটি কোনও গুরুতর সমস্যার লক্ষণ কিনা। যদি নাভি থেকে রক্ত বের হওয়ার পাশাপাশি অন্য কোনো লক্ষণও দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বাচ্চার নাভি পরার পর করনীয়
বাচ্চার নাভি পরার পর করণীয় নিম্নরূপ:
-
নাভি পরিষ্কার রাখুন: প্রতিদিন শিশুকে গোসল করানোর সময় বাচ্চার নাভি পরিষ্কার করুন। একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে নাভির চারপাশের ত্বক মুছে নিন। নাভির চারপাশের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য একটি তুলোর বল দিয়ে ক্লোরহেক্সিডিন বা অন্য কোনো অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণ লাগান।
-
নাভি শুষ্ক রাখুন: নাভির চারপাশের ত্বক শুষ্ক রাখতে সাহায্য করার জন্য প্রতিদিন একবার পাউডার বা তেল লাগান। পাউডার বা তেল লাগানোর পর, শিশুকে একটি ডায়াপার পরান।
-
ডায়াপার পরিবর্তন করা: ডায়াপার ভেজা বা নোংরা হলে দ্রুত পরিবর্তন করুন। ডায়াপার ভেজা বা নোংরা থাকলে নাভির চারপাশের ত্বক আর্দ্র হয়ে যেতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
-
নাভিতে চাপ লাগানো এড়িয়ে চলুন: নাভিতে চাপ লাগানোর ফলে নাভির চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। শিশুকে গোসল করানোর সময় বা ডায়াপার পরিবর্তন করার সময় নাভিতে চাপ লাগানোর থেকে বিরত থাকুন।
-
ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া: যদি নাভি থেকে রক্ত বা পুঁজ বের হয়, নাভি লালচে বা ফুলে যায়, নাভির চারপাশে ব্যথা বা চুলকানি হয়, বা নাভির চারপাশের ত্বক গরম হয়ে যায়, তাহলে দ্রুত একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নাভি সাধারণত 7 থেকে 10 দিনের মধ্যে শুকিয়ে ঝরে পড়ে। নাভি ঝরে পড়ার পর আর নাভি পরিষ্কার করার বা পাউডার বা তেল লাগানোর প্রয়োজন নেই।
বাচ্চার নাভি না শুকানোর কারণ
- নাভির ইনফেকশন: নাভির ইনফেকশনের কারণে নাভি শুকতে দেরি হতে পারে। নাভির ইনফেকশনের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নাভি লালচে বা ফুলে যাওয়া, নাভি থেকে পুঁজ বা রক্ত বের হওয়া, নাভির চারপাশে ব্যথা বা চুলকানি, নাভির চারপাশের ত্বক গরম হয়ে যাওয়া।
- নাভির ছিদ্রের চারপাশের ত্বকের ক্ষত: নাভির ছিদ্রের চারপাশের ত্বকের ক্ষতও নাভি শুকতে দেরি হতে পারে। নাভির চারপাশের ত্বক খুবই পাতলা এবং সংবেদনশীল। তাই এটি সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক শুকতে দেরি করতে পারে।
- নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়া: নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়ার কারণেও নাভি শুকতে দেরি হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ডায়াপারের বাঁধন খুব শক্ত হলে নাভির ছিদ্রের চারপাশে চাপ পড়তে পারে। এতে নাভি শুকতে দেরি হতে পারে।
- অন্যান্য কারণ: কিছু ক্ষেত্রে, নাভির শুকানোর ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নাভির শুকানোর জন্য সময় লাগতে পারে।
উপসংহার
আমি আশা করছি আপনারা আপনাদের নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার এই প্রশ্নের উওর পেয়েছেন। আরো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
আরো পড়ুনঃ তারিখ অনুযায়ী মাসিক না হওয়ার কারণ